বাইক কেনার কথা ভাবছেন?

387

মোটর বাইক কেনার আগে আপনাকে অবশ্যই কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় খুব ভালভাবে জানতে হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হল আপনার শরীরের আকার বা সাইজ। যেমন ধরুন মোটর বাইকটি যখন সোজাভাবে থাকে , এটির উপরে বসে আপনি আপনার দুই পায়ের পাতা সমান ভাবে মাটিতে রাখতে পারেন কিনা তা খেয়াল করুন। যদি আপনি সমানভাবে পা মাটিতে রাখতে না পারেন তার মানে হল মোটর বাইকটি আপনার জন্য একটু বেশী উঁচু। এজন্য আপনার উচ্চতা এবং আপনার শরীরের গঠন -এগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মোটর বাইক কেনার সময়। আর আপনি যদি হন নুতন চালক তবে প্রথমেই আপনি খুব হাইপারফরমেন্স বাইক কিনবেন না ।

আপনি যদি মোটবাইক চালানোর নিয়ম কানুন খুব ভাল ভাবে না জানেন তবে এটা যেকোনো মুহূর্তে আপনার জীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

আপনার জন্য কোন ধরণের বাইক উপযুক্ত?

বাইক কেনার সময় প্রথমেই আপনার যা মনে রাখতে হবে তা হল আপনার শরীরের গঠন ও আকৃতি । বাইকের উপরে বসে আপনি যদি আপনার দুই পা মাটিতে সমানভাবে রাখতে না পারেন তার মানে এই বাইকটি আপনার জন্য একটু বেশীই উঁচু । আর আপনি যদি নুতন চালক হন, তবে কোন মতেই হাই পারফরমেন্স বাইক প্রথমে কিনবেন না ।

এই বিসয়ে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন।

বাইকের  সাথে প্রয়োজনীয় উপকরন

মোটর বাইক চালানোর সময় আপনার লাগবে হেলমেট, জ্যাকেট, বুট, রেইন স্যুট, আর যদি আপনি চোখে গ্লাস ব্যবহার করেন তবে অবশ্যই চোখের গ্লাস।

ব্যবহৃত মোটরবাইক কেনার জন্য কিছু দিকনির্দেশনা আপনি যার কাছ থেকেই ববহৃত বাইক কেনেন না কেন হোক সে ডিলার বা কোন বাক্তি, সেকেন্ডহ্যান্ড বাইকে কেনার সময় বাইকের অবস্থার সাথে অডোমিটার ভালোভাবে তুলনা করে দেখবেন। এছাড়া আরও যা কিছু আপনাকে ভালোভাবে দেখতে হবে তা জানতে ক্লিক করুন।

মোটর বাইক কেনার সময় নিম্নের চেকলিস্ট টি আপনি ফলো করতে পারেনঃ

১। প্রথম একটা বাইক দেখেই সেটি কিনে ফেলবেন না । অভিজ্ঞ কাউকে সঙ্গে নিন আপনার বন্ধুর বাইকটি একটু চালিয়ে দেখেন । তার সাথে বাইকের গুনাগুন নিয়ে আলোচনা করুন। এটি চালানো সহজ কিনা সেসব নিয়ে কথা বলুন। সেন্টার লাইন, নীচের ফরক এসব

২।বারের উপর স্ক্রাপ দেখুন , কেমন বেন্ড হয় চেক করুন। লিভার এর কার্যকরীতা ভালোভাবে পরীক্ষা নিরীক্ষা করুন। চিপগুলী কি ছোটো না বড়, গভীর কিংবা অগভীর, সমান্তরাল নাকি ও সমান্তরাল এগুলো ভালোভাবে দেখে নিন ।

৩। ভল্টের মধ্যে ১/১৬ ইঞ্চি সেফটি ওয়ার হোল চেক করুন । বিশেষ করে ক্লীপার মাউনটেইণ বোল্টশ, এক্সজোসট বোল্ট ইত্যাদি । আপনি যে মডেল কিনতে চান তার দোষ কি কি সেগুলো জানুন । ব্রেকটি ঠিক আছে কিনা আর সহজেই হ্যাণ্ডেল করা যাচ্ছে কিনা চেক করুন। দেখে নিবেন ব্রেক এ কোন পালসিং থাকেবা না।

৪। ক্লাচ লিভারটি চেক করুন । দেখুন ক্লাচ রিলিজ করার সময় squeeze করে কিনা । গ্যাস ট্যাঙ্ক পরীক্ষা করুন । গ্যাস ট্যাংকের ভিতরের দিকে মসৃণ কোটিং থাকবে । গাড় রঙের গ্যাস দেখলে বুঝবেন যে এটি পুরনো গ্যাস যা পরিবর্তন করতে হবে ।

৫। সব ইলেকট্রিক লাইট, ব্যাটারি, এবং সুইচ গুলি পরীক্ষা করুন। স্টার্ট এর শব্দটি খেয়াল করুন । এই শব্দের ধরণ শুনে আপনি ব্যাটারির অবস্থা বুঝতে পারবেন ।

৬। সিল লিকের জন্য ফরক চেক করুন । স্স্কারচেস , পায়ের নিক্স, ব্যান্ড ,টুইস্ট খতিয়ে দেখুন । দুপাশের চাকার ডেনট,ক্রাক দেখুন। নিখুঁতভাবে চেইনের বা স্পারক ওয়্যার দেখুন কোন সমস্যা আছে কিনা।

৭। বারবার স্টার্ট করে এবং ইঞ্জিনের অপারেশান ভালোভাবে পরীক্ষা করুন । কোথাও কোন লিক বা ছিদ্র আছে কিনা দেখে নিন ।

কেনার পর আপনি প্রতিবার এটি চালানোর আগে টায়ার প্রেশার আর বাইকের অবস্থা অবশ্যই দেখে নিবেন । আর আপনার নিরাপত্তার জন্যই কন্ট্রোল, ক্যাবেল, হোজেস, চাকা, ব্রেক, লাইটস, চেইন, সাসপেনসান সব কিছু নিয়মিত চেক করবেন।যথাযথ নিয়ম মেনে বাইক চালান আর নিরাপদে থাকুন।

মোটর বাইক প্রি-রাইড চেকের নিয়মাবলী ।

তথ্য সুত্রঃ popularmechanics.com,

আপনার কোন প্রস্ন থাকলে বা এই বিষয়ে কোন কিছু জানানোর থাকলে নীচের মন্তব্য বিভাগে লিখতে ভুলবেন না । আপনার রাইডার বন্ধুদের সাথে নিবন্ধটি শেয়ার করে নিন যাতে তারাও জানতে পারে ।

-BikeGuy Advertisement-